রূপার নাও
Rupar Nao, A Bangla blog by Kazi Jubair, about personal literature stuffs
২৮ মে, ২০১০
পাঞ্জা লড়াই
হাড্ডা হাড্ডি হচ্ছে লড়াই
হাতের ভেতর হাত
হাত পড়ে না, কে আর করে
খেলায় বাজিমাত।
পাঞ্জা লড়াই, শক্তি দেখার
শক্তি দুয়ের এক
একটি মোটা একটি চিকন
কী যে হাসি দ্যাখ।
১৮ মে, ২০১০
রাতটা এত কাল কেন
রাতটা এত কাল কেন
বলতে পার কেউ
নদী কেন ডরা খেলে
বানায় আজব ঢেউ।
আমার মনে প্রশ্ন হাজার
জবাব কোথায় পাই
রাতের বুকে তারা এত
দিবসটাতে নাই।
রক্তে মাংশে গড়া মানুষ
এত কেন জাত
একজন খায় গোশত- রুটি
কারো জুটে না ভাত।
বলতে পার কেউ
নদী কেন ডরা খেলে
বানায় আজব ঢেউ।
আমার মনে প্রশ্ন হাজার
জবাব কোথায় পাই
রাতের বুকে তারা এত
দিবসটাতে নাই।
রক্তে মাংশে গড়া মানুষ
এত কেন জাত
একজন খায় গোশত- রুটি
কারো জুটে না ভাত।
সময়
কাজী যুবাইর
ঘড়ির কাটা উল্টো হয়ে ঘুরে
দিনের রুটিন একটু থাকে দূরে
পড়ালেখার দোহাই তবু চলে
সময় গুলো মোমের মত গলে।
পড়ালেখা হয়না কেন বলি
উল্টো হয়ে উল্টো পথে চলি
আমার আবার দোষটা কোথায় আছে
কত কত কাজ যে থাকে পাছে।
কাজের ভীড়ে চাপা পড়ে গিয়ে
বুকের ভেতর বইয়ের পাতা নিয়ে
পড়ালেখা পড়ালেখা তবু
জীবন আমার হচ্ছে যবুথবু।
শ্রেণীকক্ষে রোজই হবে যেতে
শুধু বলি নম্বর একটু পেতে
এ্যাসাইনমেন্ট এ্যাসাইনমেন্ট করে
আমি যেন যাচ্ছিই এবার মরে।
চোখে বৃষ্টি
কত দূরে থাকো তুমি
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
বাজছে সানাই
বাজছে সানাই হচ্ছে বিয়ে
ঢোলের বাদ্য বাঁশি
এত আয়োজনের মাঝে
ঠাকুর দাদার কাশি।
ঠাকুর দাদার আরো একটা
হঠাৎ বিপদ এলো
ঠাকুর দাদার বিয়ে মন্ত্র
কোথায় উড়ে গেল।
বিয়ে বাড়ি বিয়ে বাড়ি
সিঁদুর রাঙা সাজ
বাজুক সানাই তবু বিয়ে
হচ্ছে নাতো আজ
ঢোলের বাদ্য বাঁশি
এত আয়োজনের মাঝে
ঠাকুর দাদার কাশি।
ঠাকুর দাদার আরো একটা
হঠাৎ বিপদ এলো
ঠাকুর দাদার বিয়ে মন্ত্র
কোথায় উড়ে গেল।
বিয়ে বাড়ি বিয়ে বাড়ি
সিঁদুর রাঙা সাজ
বাজুক সানাই তবু বিয়ে
হচ্ছে নাতো আজ
ময়নামতি
কিছু ছেলে হাসছে কত
নাচছে তালে তালে
হাসি হাসি উৎসবটা
ভাংছে যে অকালে।
ময়নামতির গয়নাগাটি
সংগে করে নিয়ে
বিয়ে যেন হবে কারো
রঙিন ঢাকায় গিয়ে।
রঙের মেলা, খুশি খুশি
মুখে খুশির গান
যাচ্ছো কেন, ময়নামতির
জন্য কি নেই টান?
নাচছে তালে তালে
হাসি হাসি উৎসবটা
ভাংছে যে অকালে।
ময়নামতির গয়নাগাটি
সংগে করে নিয়ে
বিয়ে যেন হবে কারো
রঙিন ঢাকায় গিয়ে।
রঙের মেলা, খুশি খুশি
মুখে খুশির গান
যাচ্ছো কেন, ময়নামতির
জন্য কি নেই টান?
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
আজ শুধু এগিয়ে যাওয়ার গল্প
এই বাংলাদেশের জয়ের কথা
আজ উষ্ণ হয়ে ফুটে ওঠা
লক্ষ্য প্রাণের ঐ শীতলতা।
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
পাথর বাঁধা ভেেেঙ ফেলা
আজ লক্ষ্য কোটি প্রাণের মেলা
আর ভেঙে ফেলা নীরবতা।
পথের সব ক্লান্তি ভুলে গিয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনে
সাহসের ফুলকি বেঁধে মনে
এগিয়ে যাবার কথকতা।
এই বাংলাদেশের জয়ের কথা
আজ উষ্ণ হয়ে ফুটে ওঠা
লক্ষ্য প্রাণের ঐ শীতলতা।
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
পাথর বাঁধা ভেেেঙ ফেলা
আজ লক্ষ্য কোটি প্রাণের মেলা
আর ভেঙে ফেলা নীরবতা।
পথের সব ক্লান্তি ভুলে গিয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনে
সাহসের ফুলকি বেঁধে মনে
এগিয়ে যাবার কথকতা।
এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার
এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার
মায়ের স্নেহ মায়া মাখা
সবুজ রঙে গল্পে জড়ানো
সবুজ ছবি আছে আঁকা।
পাতায় লতায় ছায়ায় ছায়ায়
পরান আমার একলা হারায়
পরানের পরতগুলো কল্প হয়ে
মেলে ধরে হাজার পাখা।
তার এই সোনা সোনা মাটি
বটের ছায়ায় শীতল পাটি
আমি ধন্য সেই বটের মূলে বসে
ধরেছি বটের ওই শাখা।
মায়ের স্নেহ মায়া মাখা
সবুজ রঙে গল্পে জড়ানো
সবুজ ছবি আছে আঁকা।
পাতায় লতায় ছায়ায় ছায়ায়
পরান আমার একলা হারায়
পরানের পরতগুলো কল্প হয়ে
মেলে ধরে হাজার পাখা।
তার এই সোনা সোনা মাটি
বটের ছায়ায় শীতল পাটি
আমি ধন্য সেই বটের মূলে বসে
ধরেছি বটের ওই শাখা।
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
দুই দিনের দুনিয়াতে
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
চাঁদকে ডেকেছি এসো
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
১১ মে, ২০১০
থাক
কাজী যুবাইর
থাক না ওসব
এলোমেলো কল্পনা
ওখানে কি আমার আর জায়গা হবে!
ভাবের ডাহুক কেন এসে পড়ে
যতই বলি আকাশের কুসুম
হারিয়ে যায় চোখের ঘুম
আবার বলি
আহা! থাক না।
ওখঅনে তারা রা কথা বলে
কপালের টিপ হয় চাঁদ
রাত নিঝুম হলে জোনাকি আসে
আলো ঝলমলে ঘর।
আলোতে গলেনা পাথর
আমার কি আর জায়গা হবে!
কিন্তু কেন নয়
আমার কি দেখবার চোখ নেই
শক্তি নেই অনুভবের
ইস!
থাকনা ওসব।
সব কি আর গুজব
কতবার রাত দিনের মিলন হয়
নদীরা সাগরে মিশে
শুধু মিশবার আকুলতা চারদিকে
এত গান কেন লেখা হল, এত কবিতা
বল
তবু থাকবে এসব?
ওখানে আমার একটু জায়গা হবে না!
৪ মে, ২০১০
৩ মে, ২০১০
জবিতে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেমন ছিল।
দাবি ছিল বর্ধিত ফি যেন প্রত্যাহার করা হয়। একজন দুজনের দাবি। ধীরে ধীরে এ দাবি হয়ে যায় সবার দাবি। একটাই শ্লোগান 'মানি না' একটিই কণ্ঠস্বর। তার পর অনেক কণ্ঠ।
সময় বাড়তে থাকে। সকাল ১০ টা পেরিয়ে ১১ টা বেজে যায়। একটি দু'টি মিছিল। তারপর অনেক মিছিল। দুইটা, তিনটা। একদল ছাত্র সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। দাবি দাবি দাবি। প্রায় দ্বিগুন ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। প্রতিবাদ গরিবের পড়ার অধিকার নষ্টের বিরুদ্ধে। একটি স্মারক লিপি দিতে হবে ভিসি বরাবর।
হঠাৎ হঠাৎ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় আন্দোলন কারীরা। আরেকদল ছাত্রনেতা তাদেও থামাতে চেষ্টা করে, মারধর করে। থাপ্পর দেয়। ছাত্ররা দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দিতে পারে এই ফি বৃদ্ধির নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু কথিত ছাত্রনেতাদেও থাপ্পর আর হুমকি ধমকির বিরুদ্ধে কিছুই বলে না।
গত ৩ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছুই ঘটে গেছে। ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশ হয়ে সরকার ও ভার্সিটি কতর্ৃপক্ষের ভুল সিদ্ধান্তকে ভুল বলতে পারে নি। ছাত্রনেতা হলে ছাত্রদের সমস্যা দেখার সময় কি আর থাকে?
জিসান আল যুবাইর
লেবেলসমূহ:
feature,
News Story | সংবাদ গল্প
ভেঙেছো আমারই প্রাণ
কাজী যুবাইর
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
সবাই নাট্যকার
কাজী যুবাইর
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
একটি গান
কাজী যুবাইর
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
১ মে, ২০১০
কম্পিউটার নিয়ে ছড়া
৩০ এপ্রি, ২০১০
উচ্চ শিক্ষার জন্য সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়
চলতি বছরের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে। একে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বলা হলেও এর আসল নামটি হচ্ছে 'সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি'।
২০০৫ সালে সার্কের ঢাকা সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। ২০০৭ সালে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এবং চলকত বছরের থিম্পু সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ভারতের বিদেশ মণ্ত্রী প্রণব মুখার্জি জানিয়েছেন, দক্ষিণ দিল্লিতে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য তাদের সরকার ১০০ একর জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে।
প্রফেসর জি কে চাঁদা সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, প্রথমে ৫০ কিংবা ১০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে এ সংখ্যা ৫০০০ এ উন্নীত হবে। ২০১১ সালে নাগাদ সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ১৫০০০ হবে বলে তিনি জানান।
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস দিল্লিতে হলেও সার্কভুক্ত অন্য ৭ টি দেশেও এর আঞ্চলিক ক্যাম্পাস থাকবে। মূল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।
এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫০০ ফ্যাকাল্টি তৈরি করবে। বিষয় থাকবে। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, সহমর্মিতা, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি। ভর্তির জন্য আবেদন পত্র ছাড়া হবে নির্ধারিত সময়ে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি হবে খুবই সহজ। সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা যে কোন ক্যাম্পাসে পড়াশুনা করার সুযোগ পাবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এশ ইনস্টিটিউটের পরিচালক জওহর রিজভি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষর্থীরা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে তুলবে। ফলে একটি কমন ঐতিহ্য সৃষ্টি হবে। বন্ধুত্ব তৈরি হবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো তৈরিতে দিক নির্দেশনা মূলক সহায়তা করবে।
জিসান আল যুবাইর
চলতি বছরের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে। একে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বলা হলেও এর আসল নামটি হচ্ছে 'সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি'।
২০০৫ সালে সার্কের ঢাকা সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। ২০০৭ সালে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এবং চলকত বছরের থিম্পু সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ভারতের বিদেশ মণ্ত্রী প্রণব মুখার্জি জানিয়েছেন, দক্ষিণ দিল্লিতে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য তাদের সরকার ১০০ একর জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে।
প্রফেসর জি কে চাঁদা সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, প্রথমে ৫০ কিংবা ১০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে এ সংখ্যা ৫০০০ এ উন্নীত হবে। ২০১১ সালে নাগাদ সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ১৫০০০ হবে বলে তিনি জানান।
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস দিল্লিতে হলেও সার্কভুক্ত অন্য ৭ টি দেশেও এর আঞ্চলিক ক্যাম্পাস থাকবে। মূল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।
এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫০০ ফ্যাকাল্টি তৈরি করবে। বিষয় থাকবে। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, সহমর্মিতা, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি। ভর্তির জন্য আবেদন পত্র ছাড়া হবে নির্ধারিত সময়ে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি হবে খুবই সহজ। সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা যে কোন ক্যাম্পাসে পড়াশুনা করার সুযোগ পাবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এশ ইনস্টিটিউটের পরিচালক জওহর রিজভি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষর্থীরা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে তুলবে। ফলে একটি কমন ঐতিহ্য সৃষ্টি হবে। বন্ধুত্ব তৈরি হবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো তৈরিতে দিক নির্দেশনা মূলক সহায়তা করবে।
জিসান আল যুবাইর
মজার তথ্য: ডলারের সিম্বলটি যেভাবে এল
ডলারের সিম্বলটি হল $ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রধান মুদ্রা এই ডলার। এইটির পূর্বে যা ছিল তা হল পিস অব এইট মানে P8. ধীরে ধীরে P8 ই হলে গেল $. আসলে পি এবং এইট কে একত্রে লিখতে গিয়েই $ চিহ্ন টি তৈরি হয়। S এর পেট টি কাটা নয় যে!
প্রায় একশ বছর পূর্বে স্প্যানিশ মুদ্রা হিসেবে P8 ছিল রূপার তৈরি।
প্রায় একশ বছর পূর্বে স্প্যানিশ মুদ্রা হিসেবে P8 ছিল রূপার তৈরি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)