২৮ মে, ২০১০
পাঞ্জা লড়াই
হাড্ডা হাড্ডি হচ্ছে লড়াই
হাতের ভেতর হাত
হাত পড়ে না, কে আর করে
খেলায় বাজিমাত।
পাঞ্জা লড়াই, শক্তি দেখার
শক্তি দুয়ের এক
একটি মোটা একটি চিকন
কী যে হাসি দ্যাখ।
১৮ মে, ২০১০
রাতটা এত কাল কেন
রাতটা এত কাল কেন
বলতে পার কেউ
নদী কেন ডরা খেলে
বানায় আজব ঢেউ।
আমার মনে প্রশ্ন হাজার
জবাব কোথায় পাই
রাতের বুকে তারা এত
দিবসটাতে নাই।
রক্তে মাংশে গড়া মানুষ
এত কেন জাত
একজন খায় গোশত- রুটি
কারো জুটে না ভাত।
বলতে পার কেউ
নদী কেন ডরা খেলে
বানায় আজব ঢেউ।
আমার মনে প্রশ্ন হাজার
জবাব কোথায় পাই
রাতের বুকে তারা এত
দিবসটাতে নাই।
রক্তে মাংশে গড়া মানুষ
এত কেন জাত
একজন খায় গোশত- রুটি
কারো জুটে না ভাত।
সময়
কাজী যুবাইর
ঘড়ির কাটা উল্টো হয়ে ঘুরে
দিনের রুটিন একটু থাকে দূরে
পড়ালেখার দোহাই তবু চলে
সময় গুলো মোমের মত গলে।
পড়ালেখা হয়না কেন বলি
উল্টো হয়ে উল্টো পথে চলি
আমার আবার দোষটা কোথায় আছে
কত কত কাজ যে থাকে পাছে।
কাজের ভীড়ে চাপা পড়ে গিয়ে
বুকের ভেতর বইয়ের পাতা নিয়ে
পড়ালেখা পড়ালেখা তবু
জীবন আমার হচ্ছে যবুথবু।
শ্রেণীকক্ষে রোজই হবে যেতে
শুধু বলি নম্বর একটু পেতে
এ্যাসাইনমেন্ট এ্যাসাইনমেন্ট করে
আমি যেন যাচ্ছিই এবার মরে।
চোখে বৃষ্টি
কত দূরে থাকো তুমি
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
বাজছে সানাই
বাজছে সানাই হচ্ছে বিয়ে
ঢোলের বাদ্য বাঁশি
এত আয়োজনের মাঝে
ঠাকুর দাদার কাশি।
ঠাকুর দাদার আরো একটা
হঠাৎ বিপদ এলো
ঠাকুর দাদার বিয়ে মন্ত্র
কোথায় উড়ে গেল।
বিয়ে বাড়ি বিয়ে বাড়ি
সিঁদুর রাঙা সাজ
বাজুক সানাই তবু বিয়ে
হচ্ছে নাতো আজ
ঢোলের বাদ্য বাঁশি
এত আয়োজনের মাঝে
ঠাকুর দাদার কাশি।
ঠাকুর দাদার আরো একটা
হঠাৎ বিপদ এলো
ঠাকুর দাদার বিয়ে মন্ত্র
কোথায় উড়ে গেল।
বিয়ে বাড়ি বিয়ে বাড়ি
সিঁদুর রাঙা সাজ
বাজুক সানাই তবু বিয়ে
হচ্ছে নাতো আজ
ময়নামতি
কিছু ছেলে হাসছে কত
নাচছে তালে তালে
হাসি হাসি উৎসবটা
ভাংছে যে অকালে।
ময়নামতির গয়নাগাটি
সংগে করে নিয়ে
বিয়ে যেন হবে কারো
রঙিন ঢাকায় গিয়ে।
রঙের মেলা, খুশি খুশি
মুখে খুশির গান
যাচ্ছো কেন, ময়নামতির
জন্য কি নেই টান?
নাচছে তালে তালে
হাসি হাসি উৎসবটা
ভাংছে যে অকালে।
ময়নামতির গয়নাগাটি
সংগে করে নিয়ে
বিয়ে যেন হবে কারো
রঙিন ঢাকায় গিয়ে।
রঙের মেলা, খুশি খুশি
মুখে খুশির গান
যাচ্ছো কেন, ময়নামতির
জন্য কি নেই টান?
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
আজ শুধু এগিয়ে যাওয়ার গল্প
এই বাংলাদেশের জয়ের কথা
আজ উষ্ণ হয়ে ফুটে ওঠা
লক্ষ্য প্রাণের ঐ শীতলতা।
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
পাথর বাঁধা ভেেেঙ ফেলা
আজ লক্ষ্য কোটি প্রাণের মেলা
আর ভেঙে ফেলা নীরবতা।
পথের সব ক্লান্তি ভুলে গিয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনে
সাহসের ফুলকি বেঁধে মনে
এগিয়ে যাবার কথকতা।
এই বাংলাদেশের জয়ের কথা
আজ উষ্ণ হয়ে ফুটে ওঠা
লক্ষ্য প্রাণের ঐ শীতলতা।
আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
পাথর বাঁধা ভেেেঙ ফেলা
আজ লক্ষ্য কোটি প্রাণের মেলা
আর ভেঙে ফেলা নীরবতা।
পথের সব ক্লান্তি ভুলে গিয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনে
সাহসের ফুলকি বেঁধে মনে
এগিয়ে যাবার কথকতা।
এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার
এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার
মায়ের স্নেহ মায়া মাখা
সবুজ রঙে গল্পে জড়ানো
সবুজ ছবি আছে আঁকা।
পাতায় লতায় ছায়ায় ছায়ায়
পরান আমার একলা হারায়
পরানের পরতগুলো কল্প হয়ে
মেলে ধরে হাজার পাখা।
তার এই সোনা সোনা মাটি
বটের ছায়ায় শীতল পাটি
আমি ধন্য সেই বটের মূলে বসে
ধরেছি বটের ওই শাখা।
মায়ের স্নেহ মায়া মাখা
সবুজ রঙে গল্পে জড়ানো
সবুজ ছবি আছে আঁকা।
পাতায় লতায় ছায়ায় ছায়ায়
পরান আমার একলা হারায়
পরানের পরতগুলো কল্প হয়ে
মেলে ধরে হাজার পাখা।
তার এই সোনা সোনা মাটি
বটের ছায়ায় শীতল পাটি
আমি ধন্য সেই বটের মূলে বসে
ধরেছি বটের ওই শাখা।
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
দুই দিনের দুনিয়াতে
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
চাঁদকে ডেকেছি এসো
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
১১ মে, ২০১০
থাক
কাজী যুবাইর
থাক না ওসব
এলোমেলো কল্পনা
ওখানে কি আমার আর জায়গা হবে!
ভাবের ডাহুক কেন এসে পড়ে
যতই বলি আকাশের কুসুম
হারিয়ে যায় চোখের ঘুম
আবার বলি
আহা! থাক না।
ওখঅনে তারা রা কথা বলে
কপালের টিপ হয় চাঁদ
রাত নিঝুম হলে জোনাকি আসে
আলো ঝলমলে ঘর।
আলোতে গলেনা পাথর
আমার কি আর জায়গা হবে!
কিন্তু কেন নয়
আমার কি দেখবার চোখ নেই
শক্তি নেই অনুভবের
ইস!
থাকনা ওসব।
সব কি আর গুজব
কতবার রাত দিনের মিলন হয়
নদীরা সাগরে মিশে
শুধু মিশবার আকুলতা চারদিকে
এত গান কেন লেখা হল, এত কবিতা
বল
তবু থাকবে এসব?
ওখানে আমার একটু জায়গা হবে না!
৪ মে, ২০১০
৩ মে, ২০১০
জবিতে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেমন ছিল।
দাবি ছিল বর্ধিত ফি যেন প্রত্যাহার করা হয়। একজন দুজনের দাবি। ধীরে ধীরে এ দাবি হয়ে যায় সবার দাবি। একটাই শ্লোগান 'মানি না' একটিই কণ্ঠস্বর। তার পর অনেক কণ্ঠ।
সময় বাড়তে থাকে। সকাল ১০ টা পেরিয়ে ১১ টা বেজে যায়। একটি দু'টি মিছিল। তারপর অনেক মিছিল। দুইটা, তিনটা। একদল ছাত্র সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। দাবি দাবি দাবি। প্রায় দ্বিগুন ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। প্রতিবাদ গরিবের পড়ার অধিকার নষ্টের বিরুদ্ধে। একটি স্মারক লিপি দিতে হবে ভিসি বরাবর।
হঠাৎ হঠাৎ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় আন্দোলন কারীরা। আরেকদল ছাত্রনেতা তাদেও থামাতে চেষ্টা করে, মারধর করে। থাপ্পর দেয়। ছাত্ররা দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দিতে পারে এই ফি বৃদ্ধির নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু কথিত ছাত্রনেতাদেও থাপ্পর আর হুমকি ধমকির বিরুদ্ধে কিছুই বলে না।
গত ৩ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছুই ঘটে গেছে। ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশ হয়ে সরকার ও ভার্সিটি কতর্ৃপক্ষের ভুল সিদ্ধান্তকে ভুল বলতে পারে নি। ছাত্রনেতা হলে ছাত্রদের সমস্যা দেখার সময় কি আর থাকে?
জিসান আল যুবাইর
লেবেলসমূহ:
feature,
News Story | সংবাদ গল্প
ভেঙেছো আমারই প্রাণ
কাজী যুবাইর
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।
পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\
সবাই নাট্যকার
কাজী যুবাইর
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?
পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\
সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\
একটি গান
কাজী যুবাইর
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।
শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।
আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।
১ মে, ২০১০
কম্পিউটার নিয়ে ছড়া
৩০ এপ্রি, ২০১০
উচ্চ শিক্ষার জন্য সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়
চলতি বছরের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে। একে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বলা হলেও এর আসল নামটি হচ্ছে 'সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি'।
২০০৫ সালে সার্কের ঢাকা সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। ২০০৭ সালে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এবং চলকত বছরের থিম্পু সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ভারতের বিদেশ মণ্ত্রী প্রণব মুখার্জি জানিয়েছেন, দক্ষিণ দিল্লিতে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য তাদের সরকার ১০০ একর জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে।
প্রফেসর জি কে চাঁদা সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, প্রথমে ৫০ কিংবা ১০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে এ সংখ্যা ৫০০০ এ উন্নীত হবে। ২০১১ সালে নাগাদ সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ১৫০০০ হবে বলে তিনি জানান।
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস দিল্লিতে হলেও সার্কভুক্ত অন্য ৭ টি দেশেও এর আঞ্চলিক ক্যাম্পাস থাকবে। মূল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।
এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫০০ ফ্যাকাল্টি তৈরি করবে। বিষয় থাকবে। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, সহমর্মিতা, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি। ভর্তির জন্য আবেদন পত্র ছাড়া হবে নির্ধারিত সময়ে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি হবে খুবই সহজ। সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা যে কোন ক্যাম্পাসে পড়াশুনা করার সুযোগ পাবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এশ ইনস্টিটিউটের পরিচালক জওহর রিজভি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষর্থীরা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে তুলবে। ফলে একটি কমন ঐতিহ্য সৃষ্টি হবে। বন্ধুত্ব তৈরি হবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো তৈরিতে দিক নির্দেশনা মূলক সহায়তা করবে।
জিসান আল যুবাইর
চলতি বছরের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে। একে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বলা হলেও এর আসল নামটি হচ্ছে 'সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি'।
২০০৫ সালে সার্কের ঢাকা সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। ২০০৭ সালে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এবং চলকত বছরের থিম্পু সম্মেলনে বিষয়টি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ভারতের বিদেশ মণ্ত্রী প্রণব মুখার্জি জানিয়েছেন, দক্ষিণ দিল্লিতে সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য তাদের সরকার ১০০ একর জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে।
প্রফেসর জি কে চাঁদা সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, প্রথমে ৫০ কিংবা ১০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই সার্ক বিশ্ববিদ্যলয়ের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে এ সংখ্যা ৫০০০ এ উন্নীত হবে। ২০১১ সালে নাগাদ সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ১৫০০০ হবে বলে তিনি জানান।
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস দিল্লিতে হলেও সার্কভুক্ত অন্য ৭ টি দেশেও এর আঞ্চলিক ক্যাম্পাস থাকবে। মূল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।
এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৫০০ ফ্যাকাল্টি তৈরি করবে। বিষয় থাকবে। অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, সহমর্মিতা, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি। ভর্তির জন্য আবেদন পত্র ছাড়া হবে নির্ধারিত সময়ে। শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি হবে খুবই সহজ। সার্কভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা যে কোন ক্যাম্পাসে পড়াশুনা করার সুযোগ পাবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এশ ইনস্টিটিউটের পরিচালক জওহর রিজভি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষর্থীরা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে তুলবে। ফলে একটি কমন ঐতিহ্য সৃষ্টি হবে। বন্ধুত্ব তৈরি হবে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো তৈরিতে দিক নির্দেশনা মূলক সহায়তা করবে।
জিসান আল যুবাইর
মজার তথ্য: ডলারের সিম্বলটি যেভাবে এল
ডলারের সিম্বলটি হল $ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রধান মুদ্রা এই ডলার। এইটির পূর্বে যা ছিল তা হল পিস অব এইট মানে P8. ধীরে ধীরে P8 ই হলে গেল $. আসলে পি এবং এইট কে একত্রে লিখতে গিয়েই $ চিহ্ন টি তৈরি হয়। S এর পেট টি কাটা নয় যে!
প্রায় একশ বছর পূর্বে স্প্যানিশ মুদ্রা হিসেবে P8 ছিল রূপার তৈরি।
প্রায় একশ বছর পূর্বে স্প্যানিশ মুদ্রা হিসেবে P8 ছিল রূপার তৈরি।
২৭ এপ্রি, ২০১০
নিখোঁজ নয় তবু নিখোঁজ জবির এক ছাত্রের কান্ড
নিখোঁজ নয় তবু নিখোঁজ জবির এক ছাত্রের কান্ড
একমাত্রার উদ্যোগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পথ শিশুদের জন্য একটি একাডেমি স্থাপিত হচ্ছে বেসরকারিভাবে। একমাত্রা পথশিশুদের নিয়ে কাজ করে। জাপানি এক যুবক এর উদ্যোগ নেয়।
একাডেমিতে পথশিশুদের থাকা-খাওয়া এবং পড়াশুনার ব্যাবস্থা করা হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একদল ছাত্র স্বেচ্ছাসেবী হয়ে সেই একাডেমি তৈরির কাজ শুরু করে দিয়ে আসে। মাটি কেটে ভিটে তৈরি করে, তার ওপর খুঁটি গাড়ে, ছাউনি দেয়। দু'দিনের সফর শেষে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা ঢাকায় ফিরে আসে । আবার অন্য দল যায়। এভাবে কাজ এগুয়।
গণযোগাযোগ বিভাগের ছাত্র হাসান আহমেদ কে হঠাৎ কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। তার সেল ফোনটাও বন্ধ। বাড়ির লোকজন ভার্সিটির কাছে জানতে চায় তাদের হাসান কোথায় আছে। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানতে চায় একমাত্রার কর্মীদের কাছে। একমাত্রা অসহায়। তারপর ডিবি পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় ব্যাপারটি।
ডিবি পুলিশ জানে না হাসানের খবর একমাত্রা কর্মীদের দোষ দেয়া হয়। পত্রিকায় খবরের শিরোনাম হয় হাসান।
হাসানের পরিবারের নাওয়া খাওয়া নেই। খুঁজতে খুঁজতে বেহুঁশ তার বাবা-মা। পয়সা দিয়ে হাসানের ছবিসহ হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয় পত্রিকা, রেডিও এবং টিভিতে।
জবির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষাথর্ীদের চোখে ঘুম নেই এ ঘটনায়। ধারণা করা হয় হাসানকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। অথবা কোন দুর্ঘটনায় পড়েছে সে। জ বি ভিসি ড. মেসবাহ উদ্দিন ধমক দেন সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষকদের।
হাসানকে পুলিশ পায়নি। হাসানের পরিবার শোকে যখন পাথর অমনি একদিন বাড়ির আঙিনায় হাসানের স্থির পা। তিন দিন পর গত সোমবার হাসানকে পেয়ে তার পরিবার ব্যস্ত হয়ে পড়ে। হাসানকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে তার মা। জানতে চায় সে কোথায় ছিল এতদিন।
চাঁদপুর জেলার মোঃ ইউছুফ মিয়ার ছেলে ফিরে পাওয়া কথিত নিখোঁজ হাসানের সংগে যোগাযোগ করলে সে জানায়, হালুয়া ঘাটে একমাত্রার সংগে সে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দু'দিন কাজ করার পর একমাত্রার দলের সংগেই ঢাকা ফিরে আসে। কিন্তু ক্যাম্পাসে যায় নি।
হালুয়া ঘাটে যখন সে কাজ করে তখনই সেখানকার এক যুবার সংগে তার বন্ধুত্ব হয়। বন্ধুর বাড়িতেই সে নিমন্ত্রণ নেয়। এবং তিন দিন থাকে। বিদু্যৎ সুবিধা না থাকায় বেড়ানোর সময়টাতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকে। ফলে কারো সংগে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে নি সে।
This is a soft news story, but so funny, you can comment on it. It is also a feature.
একমাত্রার উদ্যোগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পথ শিশুদের জন্য একটি একাডেমি স্থাপিত হচ্ছে বেসরকারিভাবে। একমাত্রা পথশিশুদের নিয়ে কাজ করে। জাপানি এক যুবক এর উদ্যোগ নেয়।
একাডেমিতে পথশিশুদের থাকা-খাওয়া এবং পড়াশুনার ব্যাবস্থা করা হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একদল ছাত্র স্বেচ্ছাসেবী হয়ে সেই একাডেমি তৈরির কাজ শুরু করে দিয়ে আসে। মাটি কেটে ভিটে তৈরি করে, তার ওপর খুঁটি গাড়ে, ছাউনি দেয়। দু'দিনের সফর শেষে স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা ঢাকায় ফিরে আসে । আবার অন্য দল যায়। এভাবে কাজ এগুয়।
গণযোগাযোগ বিভাগের ছাত্র হাসান আহমেদ কে হঠাৎ কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। তার সেল ফোনটাও বন্ধ। বাড়ির লোকজন ভার্সিটির কাছে জানতে চায় তাদের হাসান কোথায় আছে। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানতে চায় একমাত্রার কর্মীদের কাছে। একমাত্রা অসহায়। তারপর ডিবি পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় ব্যাপারটি।
ডিবি পুলিশ জানে না হাসানের খবর একমাত্রা কর্মীদের দোষ দেয়া হয়। পত্রিকায় খবরের শিরোনাম হয় হাসান।
হাসানের পরিবারের নাওয়া খাওয়া নেই। খুঁজতে খুঁজতে বেহুঁশ তার বাবা-মা। পয়সা দিয়ে হাসানের ছবিসহ হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয় পত্রিকা, রেডিও এবং টিভিতে।
জবির সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষাথর্ীদের চোখে ঘুম নেই এ ঘটনায়। ধারণা করা হয় হাসানকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। অথবা কোন দুর্ঘটনায় পড়েছে সে। জ বি ভিসি ড. মেসবাহ উদ্দিন ধমক দেন সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষকদের।
হাসানকে পুলিশ পায়নি। হাসানের পরিবার শোকে যখন পাথর অমনি একদিন বাড়ির আঙিনায় হাসানের স্থির পা। তিন দিন পর গত সোমবার হাসানকে পেয়ে তার পরিবার ব্যস্ত হয়ে পড়ে। হাসানকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে তার মা। জানতে চায় সে কোথায় ছিল এতদিন।
চাঁদপুর জেলার মোঃ ইউছুফ মিয়ার ছেলে ফিরে পাওয়া কথিত নিখোঁজ হাসানের সংগে যোগাযোগ করলে সে জানায়, হালুয়া ঘাটে একমাত্রার সংগে সে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দু'দিন কাজ করার পর একমাত্রার দলের সংগেই ঢাকা ফিরে আসে। কিন্তু ক্যাম্পাসে যায় নি।
হালুয়া ঘাটে যখন সে কাজ করে তখনই সেখানকার এক যুবার সংগে তার বন্ধুত্ব হয়। বন্ধুর বাড়িতেই সে নিমন্ত্রণ নেয়। এবং তিন দিন থাকে। বিদু্যৎ সুবিধা না থাকায় বেড়ানোর সময়টাতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকে। ফলে কারো সংগে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে নি সে।
This is a soft news story, but so funny, you can comment on it. It is also a feature.
লেবেলসমূহ:
feature,
News Story | সংবাদ গল্প
মা
কাজী যুবাইর
কত দূরে থাকো তুমি
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
The rhyme is Dedicated to you, if you have no mother.
কত দূরে থাকো তুমি
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।
সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!
তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?
তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।
তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?
(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)
The rhyme is Dedicated to you, if you have no mother.
২৬ এপ্রি, ২০১০
তিনি যেভাবে কবিরাজ হলেন
সহ পাঠীরা ডাকতে শুরু করল 'আবুল' বলে। দেখা হলেই কিংবা দূর থেকেই ডেকে ওঠে আবুল..। একে কি ঠাট্টা বলা যায়! নাম নিয়ে একি বিপদ! নামের গেন্জাম শেষ হবে দাঁড়াও। আযাদ ভাবে। শুধু আযাদই হবে তার নাম।
সে কী আর হয়! নামের বিপদ টা শক্ত করার জন্যই যেন আযাদ বৃত্তি পেয়ে গেল। কীর আর করা, টিকে গেল নামটা।
ক্লাস নাইনে ওঠে একদিন খবরের কাগজে পড়ল ভারতের একজন পরমাণু বিজ্ঞানীর কথা। যার নাম কিনা তারই নামের সাথে অনেকটাই মেলে। তিনি আবার সে দেশের রাষ্ট্রপতিও। আশ্বস্ত হল আযাদ কিন্তু বেশি সময় টিকল না। ভাল করে নামটা পড়ে দেখল। এ পি জে আব্দুল কালাম । ওফ! এর নামতো আব্দুল কালাম।। আচ্ছা এক কাজ করলে কেমন হয়। আযাদ মনে মনে পরিকল্পনা করে। হেড স্যার কে বলব এস এস সি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করার সময় আবুল কেটে আব্দুল দেয়া যায় কিনা।
নাহ্ স্যার শুনলেন না তার কথা। বললেন এ নামটা খারাপ নয়। তাছাড়া তোমার বৃত্তির টাকা তো এ নামেই তুলছো তাই না? ক্লাস এইটের বৃত্তিটাও যদি পেয়ে যাও। তখন তোমার এ সার্টিফিকেটগুলো মূল্যহীন হয়ে যাবে এবং টাকাও দেবে না সরকার।
নাম নিয়ে দুশ্চিন্তা যায় না আযাদের। কেউ কেউ বলল আবুল কালাম আযাদ মানে মুরগির পিতা। বড়ই বেসুরো কথা। শুনতে বিশ্রী লাগে। বাড়িতে গিয়ে মাকে ডেকে বলল, মা আমাকে মুরগির মত দেখা যায়? মাতো কথা শুনে হেসেই ফেললেন। মুরগি কেন?
আমাকে মুরগির পিতা বলেছে খুকু। আযাদ বলল।
মা বললেন, আচ্ছা খুকু কে আমি বলে দেব ও যেন আর না বলে।
আযাদ আরও একটু শোনায় মাকে, মা আমার নামের অর্থই নাকি এটা।
তোকে ক্ষেপানোর জন্য বলে বুঝেছিস? যা। খেয়ে পড়তে বস। মা চলে যান কাজে।
পড়তে বসল আযাদ। পড়ায় কি আর মন বসে? চলে গেল মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে। ইমাম সাহেব অনেক অনেক নামের অর্থ জানেন।
'হুজুর, আবুল কালাম আযাদ অর্থ কী?' আযাদ কোন ভূমিকা ছাড়াই প্রশ্ন করে।
হুজুর বললেন, আবুল শব্দের অর্থ বাবা। আর কালাম.......। আযাদ বাকি টুকু শোনার অপেক্ষা করে না। রাগে ক্ষোভে চলে যায়। ভাবে ইমাম সাহেব টাও আমার পেছনে লেগেছে।
বাজার থেকে একটা আরবি শিক্ষার বই কিনে আনল। নিজেই আরবি শিখবে। নামের আসল অর্থ বের করতেই হবে। না হয় আজীবন নামের বিড়ম্বনা কে সইবে।
আযাদের বাড়ি বগুড়ায়। বাড়ির পাশে সুপারির বাগান আছে। তারও পরে রাস্তা। সেই রাস্তা ধরে ৫ মিনিট হেঁটে গেলেই সুমনাদের আমের বাগান। আযাদ সুমনাদের আম বাগানে বসে আরবি ভাষা শিক্ষার বই পড়ছে।
একটু দূরেই দেখল একটি জুটি। মেয়েটিকে চেনা যায়। তাদের পাশের বাড়ির লনিমা। ছেলেটিকে আগে কখনো দেখেনি আযাদ। সে আবার বইয়ের পাতায় মন দিল।। সন্ধা হয়ে আসছে। জুটিও ভেঙেছে। লনিমা ওর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আযাদ বলল, ছেলেটির নাম কিরে?
লনিমা বলল, করিম মিয়া
আযাদ মুখটা একটু বাঁকিয়ে বলল, এটা আবার কী নাম! করিম মানে দয়ালু আর মিয়া মানে একশ। এই দেখ আমার বইয়ে লেখা।
লনিমা বলল পরের নাম নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে নিজের নাম ঠিক কর। আবুল কোথাকার! লনিমা চলে যায়। লনিমার কথা শুনে আযাদের মনটা আবার খারাপ হয়ে যায়। আবুল শব্দের অর্থ খুঁজতে থাকে । আবছা অন্ধকারে বইয়ের পাতা ঘোলাটে হয়ে আসে। বই বন্ধ করে বাড়ির পথে হাঁটা দেয়।
ক্লাসের পড়া বাদ দিয়ে আবার সেই আরবি বইটিই পড়তে শুরু করে আযাদ। নামের রহস্য শেষ করতেই হবে। হঠাৎ করেই পেয়ে যায় আবুল এর অর্থ। আবুল মানে আব্বু। ব্যস বইটা বন্ধ করে ফেলে সে। মন খারাপ হয়ে যায় আরও একবার।
বাড়ির চাচা জামাল সাহেব মিষ্টি নিয়ে এলেন আযাদদের ঘরে। তার মেয়ে হয়েছে। সবাই খুব খুশি। আযাদও মিষ্টি খেল। তারপরই ভাবল জামাল চাচার নামের অর্থটা একটু দেখিতো। যেই ভাবা সেই কাজ। বই ঘেটে দেখল জামাল নামের অর্থ। অবাকই হল সে। জামাল মানে উট। কিন্তু চাচাকে সে বলল না। চাচা শুনে যদি রেগে যায়।
খাওয়া দাওয়া হল। সবাই ঘুমিয়ে পড়ল। আযাদ ঘুমালো না। বসে বসে ভাবল মানুষের কী কী নাম আছে। এ সব নামের অর্থই বা কী। আবার বই খুলল।।
সকাল হল। আযাদ উঠল ঘুম থেকে। ওঠেই মনে মনে হাসতে লাগল। স্কুলে গেল। রাতে আরবি পড়তে পড়তেই সময় পার হয়েছে। ক্লাসের পড়া হয় নি। প্রথম তিনটি ক্লাসেই মার খেল সে। কারণ একটারও বাড়ির কাজ করে নিয়ে আসেনি আযাদ।
মার খেলেও মন তার খারপ হল না আযাদের। স্যার রা ক্লাস থেকে চলে যেতেই আযাদ ক্লাস মেটদের তাদের নামের অর্থ অনুসারে ডাকা শুরু করল। কাউকে ডাকল ঘোড়া, কাউকে গাছ, কাউকে পুরাতন, ইত্যাদি। ক্লাসমেটরা বলল এর মানে কী? আযাদ বলল ঘোড়া মানে ফারাস, পুরাতন মানে আতিক। ব্যস লেগে গেল মারামারি। কোন রকম জান বাাঁচিয়ে আযাদ দৌড় দিল বাড়ির দিকে।
চাচার যে মেয়েটা হয়েছে তার নাম কী রাখা যায়? আযাদ গেল তার চাচীর কাছে। বলল, আন্টি, ওর নাম যুফাইদা রাখুন। দারুন একটা নাম। নামটা নিয়ে পরীক্ষা করতে চাইলেন তিনি। আযাদের চাচার সাথে কথা বললেন। তিনি রাজি হলেন। রাখলেন ঐ নামটাই। মেয়েটির নাম হল যুফাইদা।
আযাদ আবার নিজের নাম টির বাকী অংশটুকুর অর্থ বের করতে চাইল। খুঁজল আরো কিছু পৃষ্ঠা। পেয়েও গেল। কালাম মানে কথা। আযাদ খুশি হল অন্তত সে মুরগির পিতার বিস্ফোরণ থেকে রেহাই পেয়েছে।
কিন্তু আযাদ শব্দটির অর্থ বের করা গেল না। আবার গেল ইমাম সাহেবের কাছে। বলল, হুজুর আমাকে মাফ করবেন। আমি বুঝতে পারি নি। আপনি ঠিক মতই আমার নামের অর্থ করতে চেয়েছিলেন। আমার নামের শেষ অংশ আযাদ শব্দটির কী অর্থ ?
হুজুর বললেন, স্বাধীন। এটা উর্দু শব্দ।
আচ্ছা হুজুর আমাকে উদর্ু ভাষার একটা বই দেবেন? আযাদের নামের অর্থ খোঁজার নেশায় পেয়ে বসে।
নিতে পার। কিন্তু পড়ে আবার ফেরত দিয়ে যেও। এই নাও। বুক সেল্ফ থেকে বই বের করে দিলেন ইমাম কুরবান আলী।
ধন্যবাদ হুজুর। আজাদ বই নিয়ে চলে যায়।
রাতে উর্দু ভাষার বইটা নিয়ে বসে আযাদ। কিন্তু এ বইটা উর্দু ভাষা শিক্ষার বই নয়। তাবিজের বই। ভুল করেই হয়ত দিয়ে দিয়েছেন ইমাম সাহেব।
বইটির একটি পাতায় আাঁকা রয়েছে একটি নকশা। তারই পাশে নির্দেশনা দেয়া আছে। নির্দেশনাটি হল, 'অত্র নকশাখানা জাফরান কালি দিয়া লিখিয়া ক্রন্দনরত শিশুর মাতার (মা) চুলের সহিত বাঁধিয়া দিলে তাহার ক্রন্দন থামিয়া যাইবে।
আযাদ মাঝে মাঝে তার চাচাত বোনের কান্নার শব্দ শোনে। সে ঐ নকশাটি লাল কালি দিয়ে একটি কাগজে আঁকে। এবং তার চাচীর চুলে বেঁধে দিতে বলে। চাচী তাই করে। কাকতালীয় ভাবেই কিনা কে জানে। বাচ্চাটি আগের মত আর কন্নাকাটি করে না।
চাচা তো শুনেই অবাক। বলে কী আমার ভাতিজা তো কামেল মানুষ। নিশ্চয় সে কিছু জানে। না জানলে কি আর কন্না ভাল হত?
চায়ের দোকানে ভাতিজাকে নিয়ে গর্ব করে জামাল চাচা। আরো দ'ু একজন যোগ দেয়, ছোট বলে অবহেলা করার কারণ নেই। আল্লাহ কার ভেতর কোন কেরামতি দিয়ে দেন। সবই আল্লাহর লীলা খেলা। এর পর থেকে মানুষ আসতে থাকে আযাদদের বাড়িতে। কেউ আসে পানি পড়ার জন্য, কেউ তেল পড়ার জন্য, কেউবা ঝাড় ফুঁকের জন্য। আযাদ খুবই বিরক্ত। মানুষ শুধু শুধুই আসছে ওর কাছে। আসলে ও কবিরাজি কিছুই জানে না্। চাচাতো বোন টির হয়তো পেটে গ্যাস জমেছিল তাই কেঁদেছে। গ্যাস মুক্ত হওয়ার পর সে আর কান্নাকাটি করছে না। এতে তাবিজের কী হল। ওটাতো চাচীর সাথে একটু দুষ্টামি করার জন্যই করেছিল আযাদ।
যাই হোক আযাদ এখন আরো দুষ্টামি করার সুযোগ পেয়ে গেল। হাতের ব্যথার জন্য যে আসছে তাকে সে তেল মালিশ করতে বলে। যে চোখ ওঠা নিয়ে আসে তাকে একটা ফুঁ দিয়ে দেয়। আর যে তার অবাধ্য গরুকে বস মানাতে আসে তাকে দেয় লাঠি পড়া। সবই দেয় মজা করার জন্য। আযাদের ধারণা। এ মানুষগুলো যখন দেখবে তার কবিরাজিতে কাজ হচ্ছে না তখন এমনিতেই আর আসবে না।
একটা খবর রটল এলাকায়। লনিমা আর করিম মিয়া ভেগেছে। ওরা দুজন হয়ত বিয়েও করে বসেছে ততক্ষণে। খোঁজাখুজি হল চারদিকে। কেউ পেল না।
এভাবেই গেল একবছর। সব কিছুই চলছিল ঠিক মত। লনিমা আর করিমের খবর পাওয়া যায়নি। এভাবে চলে গেলেও হত কিন্তু হঠাৎ যেন সবাইকে অবাক করে দিয়ে লনিমা ফিরে এল বাপের বাড়িতে। করিম মিয়ার খোঁজও পাওয়া গেল।
প্রথম ধাক্কায় সবাই খুঁশি হলেও তা বেশিক্ষণ ধরে রাখা গেল না। লনিমাকে ছেড়ে দিয়েছে করিম।
আযাদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হলেন লনিমার বাবা। তাবিজ টাাবিজ করে কিছু করা যায় কিনা। আযাদ বাড়িতে ছিল না। বাড়ির অদূরে কোন এক শহরে থেকে পড়াশুনা করছে সে। কবিরাজির জন্য কেউ বিরক্ত করার সুযোগ পায়নি এতদিন। কিন্তু লনিমার বাবার তাকে যেন খুব বেশি দরকারি মনে হল। তিনি তাকে খঁজে বের করতে চাইলেন।
এর মধ্যে খুকু লনিমার জন্য করিম মিয়ার কাছে অনেক বার গিয়েছে। বুঝানোর চেষ্টা করেছে যে, বিয়ে যখন তাকে করেছ। তাকে ঠকানো ঠিক হয়নি। করিম মিয়া বলে লনিমা কে আমি গ্রহণ করব। যদি সে তোমার মত সুন্দরী হয়ে যেতে পারে। খুকু লজ্জা পেয়ে চলে আসে।
একদিন আযাদের চাচাতো বোন যুফাইদার জ্বর হল। চাচী ভাবলেন আযাদের কথা। কিন্তু আযাদ তো গ্রামে নেই। তিনি গেলেন মসজিদের ইমাম কুরবান আলীর কাছে।
ইমাম সাহেব বললেন, বাচ্চার কী নাম? বয়স কত?
বয়স ১ বছর হবে। নাম যফাইদা। বললেন চাচী।
ইমাম সাহেবের কোথায় যেন একটু খটকা লাগল। তিনি বললেন এ নাম কি আপনি রেখেছেন? নামটা তো সুবিধাজনক নয়।
চাচী উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন, কেন? কী হয়েছে?
ইমাম সাহেব বললেন, যুফাইদা শব্দের অর্থ জানেন?
না। চাচীর জবাব।
এর অর্থ বাচ্চা ব্যাঙ। ইমাম সাহেব কথা শেষ করতেই চাচী হাসলেন, মনে মনে ভাবলেন, আযাদ টা কত পাজি!
সেদিনই বাড়ি এল আযাদ। চাচী তার কান ধরলেন, বললেন এই দুষ্টুমির কী কারণ। চাচাতো বোন কে বাচ্চা ব্যাঙ বানিয়ে দিলি? ওর জন্ম নিবন্ধন এ নামেই যে হল।
আযাদের মুখে কোন কথা নেই। চাচী আবার বললেন, ব্যাঙের বাচ্চা হোক আর যাই হোক ওকেই তোর বিয়ে করতে হবে।
আযাদ লজ্জা পেয়ে চলে যাাবার চেষ্টা করছে। এমন সমই জামাল চাচা লনিমার বাবাকে নিয়ে হাজির হলেন।
লনিমার বাবা বললেন তার সমস্যার কথা। আযাদ তো শুনেই অবাক, বলে কী! এ কাজ আমি পারবো না। আমি কবিরাজ নই।
কিন্তু লনিমার বাবা ছেড়ে দেবার পাত্র নন। একদম আঠার মতই পেছনে লেগে গেল। বারবার তিনি অনুরোধ করছেন আর আযাদ বারবার এই অযুহাত সেই অযুহাত দেখিয়ে পালিয়ে থাকছে।
আযাদ সিদ্ধান্ত নেয় এ যন্ত্রণা থেকে বাঁচার জন্য শহরে চলে যাওয়াই ভাল। শহরের পথে রওনা হয় সে। কিন্তু পালানোর চেষ্টা করেই কি আর পালানো যায়! লনিমার বাবা পথ আটকে দঁড়ালেন। কী আর করা যেতেই হল তার বাড়ি।
সে কয়েকটা বিস্কুট দিল লনিমার বাবাকে। বলল, এই বিস্কুট খাওয়াতে হবে ছেলেকে। দেখেন পারবেন কিনা। খাওয়াতে পারলেই ফল হবে। শুধু তাই নয় ২৪ ঘন্টার মধ্যেই খাওয়াতে হবে। না হয় হবে না। তবে হ্যাঁ, যদি এই বিস্কুট কোন মেয়ে খেয়ে বসে তাহলে ঐ মেয়ের সংগে ছেলেটার সম্পর্ক তৈরি হবে।
সব শর্তই মেনে নিল লনিমার বাবা। আযাদের ধারণা ছেলেকে এই বিস্কুট খাওয়াতে পারবে না। কাজও হবে না। সেও বেঁচে যাবে।
খুকুকেই রাজি করাল একাজের জন্য। খুকু এর আগেও করিম মিয়ার সংগে কথা বলেছে। করিম আর লনিমার প্রেমের সম্পর্ক তৈরির পর নানা ভাবে সে এ দুজনকে সাহায্য করেছে। সে করিম মিয়াকে এই বিস্কুট খাওয়াতে যাবে।
কিছুদিন আযাদ ভাল ভাবেই শহরে সময় কাটাল। অমনি একদিন শুনল খুকু আর করিম এখন রঙিন জুটি। ওদের মাঝে মাঝেই শুপারি বাগানে দেখা যায় বসে গল্প করে, হাত ধরে টানাটানি করে। খুকুও নাকি সেদিন বিস্কুট খেয়েছিল করিমের অনুরোধে।
পুরো গ্রাম ছড়িয়ে গেছে এ খবর। গ্রাম ছেড়ে পাশের গ্রামে। কিংবা আরো দূর। সবাই এ কবিরাজ কে একনজর দেখতে চায়। তাদের ছাগল ছানার জন্য কাঁঠাল পাতা পড়া নিতে চায়। তাদের ছাগল ছানা কাজের চেয়ে বেশি লাফায় তাই। কিন্তু কবিরাজের পাত্তা নেই। যারা আগে এসে উপকার পেয়েছে মনে করেছে তারা আযাদের বাড়িতে নতুন গাইয়ের দুধ, নারকেল গাছের প্রথম ডাব, এক মন ধান, আধা সের রসগোল্লা, কিংবা কেজিখাণেক আঙুর দিয়ে যায়। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয় আযাদ।
লনিমার বাবা বলছে কবিরাজের কী দোষ। দোষ তো খুকুরই। সে কেন বিস্কুট খেল। যাই হোক ওদের মধ্যে বিয়ে হল।
লনিমার বাবার আর কিছু করার থাকল না। মেয়েকে বোঝা মনে করে সব মেনে নিলেন। দোষ দিলেন কপালের। লনিমাও তাই মনে করল। সে আর বিয়ের চিন্তা করল না।
একদিন এক ছেলে এল আযাদের বাড়ি। সে এক মেয়েকে তার প্রেমে রাজি করাতে চায়। একটা তাবিজ দিয়ে যদি কাজ হয়।
আযাদ বাড়িতে ছিল না। শহরের ঠিকানা জোগাড় করে সে আযাদের কাছে আসে। আযাদ তার কাছে শপথ করে বলে, ভাই আমি কোন কবিরাজি জানি না। মানুষ শুধু শুধু আমাকে নিয়ে মাতামাতি করছে। আমার পড়ার ক্ষতি হচ্ছে। কিছু রোগ আছে যা এমনিতেই দু'একদিন পর ভাল হয়ে যায়। একেই মানুষ মনে করে আমার কবিরাজি।
একবার আযাদের হল জ্বর। তার চাচা এলেন তার কাছে। বললেন, এবার তোকে চিকিৎসা করবে কোন কবিরাজ! আযাদ বলে আমার চিকিৎসার জন্য আমাকে একটি ভাল ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।
চাচারা তার কোন পাত্তাই দিলেন না। তাকে নিলেন একজন কবিরাজের কাছে। কবিরাজ রোগী আযাদকে দেখে বললেন, ৩৫ হাজার টাকা লাগবে। চুক্তিতে রোগ ভাল করি। আযাদের বাবা মা আর চাচা তাই করলেন। কিন্তু জ্বর সেরে গেল না। তাকে নিতেই হল এমবিবিএস এর কাছে।
This is a short story, named `Jebhabe tini kabiraj holen' it is so funny. you can comment me. I am Jisan , not an american but Bangladeshi, so I write in bangla. আবুল নয় আবুল শব্দের অর্থ সে পায়নি এখনো একটা একটা নামের অর্থ দেখছে আর হাসছে
১৭ এপ্রি, ২০১০
যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মহান জল্লাদ
\\ হাস্য রসাত্মক কাল্পনিক সাক্ষাৎকার \\
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা হয়েছে। ফাঁসি হয়েছে পাঁচ আসামীর। ফাঁসির রায় নিয়ে অনেকেরই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। এর মধ্যেই গত হয়ে গেছে অনেক দিন। জল্লাদকে নিয়ে সাক্ষাৎকারের কথা কেউ ভেবেছেন কিনা জানি না। আমরা একটি কাল্পনিক সাক্ষাৎকার নিচ্ছি জল্লাদ শাহজাহানের। সাক্ষাৎকার গ্রহণে কাজী যুবাইর।
প্রশ্ন: আপনিই জল্লাদ। কিন্তু কী করে বিশ্বাস করি?
জল্লাদের উত্তর: না ভাই, আমি জল্লাদ নই। কালো পোশাক পরে আসামিদের দড়িতে ঝুলাই। মানুষ কেন যে আমাকে জল্লাদ বলে বুঝতে পারি না।
প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করার সময় আপনার একটু একটু ভয় করছিল। কেন বলুন তো?
জল্লাদের উত্তর: কীভাবে বুঝলেন আমার ভয় করছিল? ইয়ে মানে আমার তখন একটু পানির পিপাসা লেগেছিল আর কি। আসামিদের কাউকে পানি খেতে না দেখে আমি কীভাবে খাই বলেন, পানি খাওয়া হয়নি। তবে শাহজাহান ভাই! একটু বিচলিত ছিলেন কখন না জানি খুনী রশিদ তাকে বঙ্গবন্ধুর ভাইস্তা মনে করে গুলি টুলি করা শুরু করেন।
প্রশ্ন: ফাঁসির ব্যাপারটি টিভিতে দেখালে আপনার কেমন লাগত?
জল্লাদের উত্তর: বহুদিন ধরে বুকের মধ্যে একটা আশা লালন করছি যদি সিনেমার হিরো হতে পারতাম! ভাবছিলাম এই বুঝি সুযোগ এসেছে। ফাঁসি দেয়ার সময় পাবলিক টিভিতে আমাকে দেখে ভুল করে ভিলেনের বদলে নায়ক ভেবে বসবে। কিন্তু বিধিবাম! টিভির লোকজন ভয়েই নাকি পালিয়েছে।
প্রশ্ন: জীবনে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়েছেন। কোন দিন কেউ যদি আপনাকে ফাঁসিতে ঝুলাবে বলে হুমকি দেয় কী করবেন?
জল্লাদের উত্তর: কী আর করব। একটা হেলিকপ্টার দিয়ে আমার লাশটা বাড়িতে পাঠাতে বলব। কখনও এ অবাক যানটিতে উঠিনি তো!
প্রশ্ন: ফাঁসির আসামিরা আপনাকে কানে কানে কিছু বলে গেছে। তাদের কার কোথায় গুপ্ত ধন আছে। এগুলো কি আপনি একাই কব্জা করতে চান? নাকি......।
জল্লাদের উত্তর: আচ্ছা মানুষতো আপনি। এটা আবার কী বললেন, গুপ্তধনের কথা রূপ কথায় পড়েছি। জল্লাদ বলে আমার সাথে ইয়ারকি করছেন? আপনার সাথে আর কথাই বলব না ।
This interview is 100% funny. The government of Bangladesh punished the accused person. You also see Local news of Bangladesh
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা হয়েছে। ফাঁসি হয়েছে পাঁচ আসামীর। ফাঁসির রায় নিয়ে অনেকেরই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। এর মধ্যেই গত হয়ে গেছে অনেক দিন। জল্লাদকে নিয়ে সাক্ষাৎকারের কথা কেউ ভেবেছেন কিনা জানি না। আমরা একটি কাল্পনিক সাক্ষাৎকার নিচ্ছি জল্লাদ শাহজাহানের। সাক্ষাৎকার গ্রহণে কাজী যুবাইর।
প্রশ্ন: আপনিই জল্লাদ। কিন্তু কী করে বিশ্বাস করি?
জল্লাদের উত্তর: না ভাই, আমি জল্লাদ নই। কালো পোশাক পরে আসামিদের দড়িতে ঝুলাই। মানুষ কেন যে আমাকে জল্লাদ বলে বুঝতে পারি না।
প্রশ্ন: বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করার সময় আপনার একটু একটু ভয় করছিল। কেন বলুন তো?
জল্লাদের উত্তর: কীভাবে বুঝলেন আমার ভয় করছিল? ইয়ে মানে আমার তখন একটু পানির পিপাসা লেগেছিল আর কি। আসামিদের কাউকে পানি খেতে না দেখে আমি কীভাবে খাই বলেন, পানি খাওয়া হয়নি। তবে শাহজাহান ভাই! একটু বিচলিত ছিলেন কখন না জানি খুনী রশিদ তাকে বঙ্গবন্ধুর ভাইস্তা মনে করে গুলি টুলি করা শুরু করেন।
প্রশ্ন: ফাঁসির ব্যাপারটি টিভিতে দেখালে আপনার কেমন লাগত?
জল্লাদের উত্তর: বহুদিন ধরে বুকের মধ্যে একটা আশা লালন করছি যদি সিনেমার হিরো হতে পারতাম! ভাবছিলাম এই বুঝি সুযোগ এসেছে। ফাঁসি দেয়ার সময় পাবলিক টিভিতে আমাকে দেখে ভুল করে ভিলেনের বদলে নায়ক ভেবে বসবে। কিন্তু বিধিবাম! টিভির লোকজন ভয়েই নাকি পালিয়েছে।
প্রশ্ন: জীবনে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়েছেন। কোন দিন কেউ যদি আপনাকে ফাঁসিতে ঝুলাবে বলে হুমকি দেয় কী করবেন?
জল্লাদের উত্তর: কী আর করব। একটা হেলিকপ্টার দিয়ে আমার লাশটা বাড়িতে পাঠাতে বলব। কখনও এ অবাক যানটিতে উঠিনি তো!
প্রশ্ন: ফাঁসির আসামিরা আপনাকে কানে কানে কিছু বলে গেছে। তাদের কার কোথায় গুপ্ত ধন আছে। এগুলো কি আপনি একাই কব্জা করতে চান? নাকি......।
জল্লাদের উত্তর: আচ্ছা মানুষতো আপনি। এটা আবার কী বললেন, গুপ্তধনের কথা রূপ কথায় পড়েছি। জল্লাদ বলে আমার সাথে ইয়ারকি করছেন? আপনার সাথে আর কথাই বলব না ।
This interview is 100% funny. The government of Bangladesh punished the accused person. You also see Local news of Bangladesh
এক তাবিজের দাম ২৮ হাজার: তবু বাঁচলো না রোগী
একজন মা তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার চিকিতসার ব্যবস্থা করলেন। লিখে দিলেন কিছু ওষুধ। বললেন, রোগীকে বাড়িতে নিয়ে ঠিকমত যত্ন আর এই ওষুধ দিলে সু্স্থ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। মা তার ছেলেকে বাড়িতে আনলেন, ওষুধ দিলেন খেতে। এর মধ্যে কেটে গেল দু'দিন কিন্তু রোগী সুস্থ হলো না। কেউ একজন বললেন কবিরাজের কাছে নিয়ে যাান ছেলেকে। মা তাই করলেন। কবিরাজ রোগীর মাথার তালু থেকে কিছু চুল উঠিয়ে একটি গাছের পাতা বসিয়ে দিলেন তাতে। খেতে দিলেন কিছু ছাল-পাতা বাটা। হাতিয়ে নিলেন বড় অংকের একটা কিছু। তাতেও সারলো না ছেলের অসুখ। মা আগের ডাক্তারের কাছেই গেলেন আবার। ডাক্তার বললেন, আমার দেয়া ওষুধ গুলো খাইয়েছেন? 'খাওয়ালে কী হবে, রোগ তো সারে না ডাক্তার।' বললেন মা। ডাক্তার আগের ওষুধ সহ আরো দুটি ওষুধ লেখে দিয়ে বললেন ছেলেকে সারাক্ষণ শুইয়ে রাখা যাবে না। নাওয়া খাওয়া ঠিকমত চাই। ওকে হাসি খুশি রাখতে হবে। টেনশন থেকে ও দুর্বল হয়ে গেছে। আসলে কোন রোগ নেই। বাড়িতে আনার পর ছেলের চাচা বলল , মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে ডাক্তার কে তিনশ টাকা দিলাম আজকে আবার দিতে হল। এর কাছে আর নেয়া যাবে না। নিলেন আবার কবিরাজের কাছে। এর মধ্যেই ছেলে আরো দুর্বল। তার ডান পাটা নাড়াতে পারছে না। কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে। কবিরাজ রোগীর মাথায় বিদু্যৎ এর তার লাগিয়ে শক দিলেন। বললেন ৩ দিনের মধ্যেই ফল পাবেন। কোন ডাক্তারের কাছে নিতে পারবেন না। বাড়িতে আনার পর ছেলের বাম পাটা নাড়াতে পারছে না। আরো পরে জ্ঞান শুণ্য। মা হাউমাাউ করে কাঁদতে লাগলেন। এবারের গন্তব্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ডাক্তার কিছু টেস্ট করিয়ে নিলেন। ওষুধ যা দিলেন তাতে পূর্বের সেই ডাক্তারের কিছু ওষুধও ছিল। মা'র বিশ্বাস হল না। রোগীকে বাড়িতে এনে কান্নাকাটি করলেন। ওষুধ দিতে ভুলে যান। রোগীও কিছু খেতে পারে না। এবার গোটা চয় কবিরাজ এসে হাজির। তারা সবাই বললেন, এ রোগ আমরা সারাতে পারবো। এই রোগ ডাক্তার বুঝবে না। তবে চুক্তিতে কাজ করি। একজন কবিরাজ সিলেক্টেড হল। সে বলল, আমি চুক্তিতে কাজ করি। টাকা লাগবে। দেড় কুড়ি হাজার টাকা। রাতের মধ্যেই রোগীর বাবা দিলেন ২৮ হাজার টাকা। দুই হাজার পরে। কবিরাজ কেবল একটা তাবিজ দিলেন। দিন দুই পরে রোগী মারা গেল। সবাই বলল আল্লাহর জিনিস আল্লায় নিয়া গেছে। স্থানীয় এক পত্রিকা সাংবাদিক গেল শোক সংবাদ লিখতে। মৃতের আত্মীয়রা সাংবাদেকের হাতে পায়ে ধরে বলল, ভাই এই খবর পত্রিকায় দিয়েন না। কবিরাজ আমাগো ক্ষতির জন্য বান মারবো। তাবিজ করবো। এই ঘটনা চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানায় ঘটেছে। ছেলেটি ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তার নাম মোঃ ইয়াছিন । পত্রিকার পাতায় আসেনি এ খবর। কোন মামলা হয়নি। কবিরাজ তাদের ব্যাবসা করেই যাচ্ছেন ছাল-পাতা আর তাবিজ দিয়ে।
Dear friends, This is a blog. You can also log on to Bristi Bangla or Earn money for get the information of earning money from internet. thank you.
Dear friends, This is a blog. You can also log on to Bristi Bangla or Earn money for get the information of earning money from internet. thank you.
সময়
কাজী যুবাইর
ঘড়ির কাটা উল্টো হয়ে ঘুরে
দিনের রুটিন একটু থাকে দূরে
পড়ালেখার দোহাই তবু চলে
সময় গুলো মোমের মত গলে।
পড়ালেখা হয়না কেন বলি
উল্টো হয়ে উল্টো পথে চলি
আমার আবার দোষটা কোথায় আছে
কত কত কাজ যে থাকে পাছে।
কাজের ভীড়ে চাপা পড়ে গিয়ে
বুকের ভেতর বইয়ের পাতা নিয়ে
পড়ালেখা পড়ালেখা তবু
জীবন আমার হচ্ছে যবুথবু।
শ্রেণীকক্ষে রোজই হবে যেতে
শুধু বলি নম্বর একটু পেতে
এ্যাসাইনমেন্ট এ্যাসাইনমেন্ট করে
আমি যেন যাচ্ছিই এবার মরে।
ঘড়ির কাটা উল্টো হয়ে ঘুরে
দিনের রুটিন একটু থাকে দূরে
পড়ালেখার দোহাই তবু চলে
সময় গুলো মোমের মত গলে।
পড়ালেখা হয়না কেন বলি
উল্টো হয়ে উল্টো পথে চলি
আমার আবার দোষটা কোথায় আছে
কত কত কাজ যে থাকে পাছে।
কাজের ভীড়ে চাপা পড়ে গিয়ে
বুকের ভেতর বইয়ের পাতা নিয়ে
পড়ালেখা পড়ালেখা তবু
জীবন আমার হচ্ছে যবুথবু।
শ্রেণীকক্ষে রোজই হবে যেতে
শুধু বলি নম্বর একটু পেতে
এ্যাসাইনমেন্ট এ্যাসাইনমেন্ট করে
আমি যেন যাচ্ছিই এবার মরে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)