২৮ মে, ২০১০

পাঞ্জা লড়াই



হাড্ডা হাড্ডি হচ্ছে লড়াই
হাতের ভেতর হাত
হাত পড়ে না, কে আর করে
খেলায় বাজিমাত।

পাঞ্জা লড়াই, শক্তি দেখার
শক্তি দুয়ের এক
একটি মোটা একটি চিকন
কী যে হাসি দ্যাখ।

১৮ মে, ২০১০

রাতটা এত কাল কেন

রাতটা এত কাল কেন
বলতে পার কেউ
নদী কেন ডরা খেলে
বানায় আজব ঢেউ।

আমার মনে প্রশ্ন হাজার
জবাব কোথায় পাই
রাতের বুকে তারা এত
দিবসটাতে নাই।

রক্তে মাংশে গড়া মানুষ
এত কেন জাত
একজন খায় গোশত- রুটি
কারো জুটে না ভাত।

সময়


কাজী যুবাইর

ঘড়ির কাটা উল্টো হয়ে ঘুরে
দিনের রুটিন একটু থাকে দূরে
পড়ালেখার দোহাই তবু চলে
সময় গুলো মোমের মত গলে।

পড়ালেখা হয়না কেন বলি
উল্টো হয়ে উল্টো পথে চলি
আমার আবার দোষটা কোথায় আছে
কত কত কাজ যে থাকে পাছে।

কাজের ভীড়ে চাপা পড়ে গিয়ে
বুকের ভেতর বইয়ের পাতা নিয়ে
পড়ালেখা পড়ালেখা তবু
জীবন আমার হচ্ছে যবুথবু।

শ্রেণীকক্ষে রোজই হবে যেতে
শুধু বলি নম্বর একটু পেতে
এ্যাসাইনমেন্ট এ্যাসাইনমেন্ট করে
আমি যেন যাচ্ছিই এবার মরে।

চোখে বৃষ্টি

কত দূরে থাকো তুমি
কোন তারাটার পাশে
মা গো তোমায় মনে হলেই
চোখে বৃষ্টি আসে।

সন্ধ্যা হলেই আকাশ নীলে
তাকিয়ে থাকি একা
কোন তারাটার কাছে গেলে
তোমার পাব দেখা!

তুমি কি মা সত্যি তারা,
তারার পাশের আলো?
সত্যি তুমি এই আমাকে
বাসতে অনেক ভালো?

তবে কেন তারা হলে
আমায় একা রেখে
তোমার ছেলে কাঁদে এখন
তারার ছবি দেখে।

তোমার মত আদর করে
কেউতো ডাকে না
তোমার ছেলে ছাড়া তুমি
কোথায় থাকো মা?


(যাদের মা নেই তাদের প্রতি উৎসর্গ করে লেখা)

বাজছে সানাই

বাজছে সানাই হচ্ছে বিয়ে
ঢোলের বাদ্য বাঁশি
এত আয়োজনের মাঝে
ঠাকুর দাদার কাশি।

ঠাকুর দাদার আরো একটা
হঠাৎ বিপদ এলো
ঠাকুর দাদার বিয়ে মন্ত্র
কোথায় উড়ে গেল।

বিয়ে বাড়ি বিয়ে বাড়ি
সিঁদুর রাঙা সাজ
বাজুক সানাই তবু বিয়ে
হচ্ছে নাতো আজ

ময়নামতি

কিছু ছেলে হাসছে কত
নাচছে তালে তালে
হাসি হাসি উৎসবটা
ভাংছে যে অকালে।

ময়নামতির গয়নাগাটি
সংগে করে নিয়ে
বিয়ে যেন হবে কারো
রঙিন ঢাকায় গিয়ে।

রঙের মেলা, খুশি খুশি
মুখে খুশির গান
যাচ্ছো কেন, ময়নামতির
জন্য কি নেই টান?

আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে

আজ শুধু এগিয়ে যাওয়ার গল্প
এই বাংলাদেশের জয়ের কথা
আজ উষ্ণ হয়ে ফুটে ওঠা
লক্ষ্য প্রাণের ঐ শীতলতা।

আবার দাঁড়ানো শির উঁচিয়ে
পাথর বাঁধা ভেেেঙ ফেলা
আজ লক্ষ্য কোটি প্রাণের মেলা
আর ভেঙে ফেলা নীরবতা।

পথের সব ক্লান্তি ভুলে গিয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনে
সাহসের ফুলকি বেঁধে মনে
এগিয়ে যাবার কথকতা।

এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার

এই সবুজ আঁচল জুড়ে আমার
মায়ের স্নেহ মায়া মাখা
সবুজ রঙে গল্পে জড়ানো
সবুজ ছবি আছে আঁকা।

পাতায় লতায় ছায়ায় ছায়ায়
পরান আমার একলা হারায়
পরানের পরতগুলো কল্প হয়ে
মেলে ধরে হাজার পাখা।

তার এই সোনা সোনা মাটি
বটের ছায়ায় শীতল পাটি
আমি ধন্য সেই বটের মূলে বসে
ধরেছি বটের ওই শাখা।

তোমাকে কাছে ডেকে

তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।

পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\

আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।

পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\

দুই দিনের দুনিয়াতে

দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?

পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\

সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\

চাঁদকে ডেকেছি এসো

চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।

শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।

আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।

১১ মে, ২০১০

থাক


কাজী যুবাইর

থাক না ওসব
এলোমেলো কল্পনা
ওখানে কি আমার আর জায়গা হবে!

ভাবের ডাহুক কেন এসে পড়ে
যতই বলি আকাশের কুসুম
হারিয়ে যায় চোখের ঘুম
আবার বলি
আহা! থাক না

ওখঅনে তারা রা কথা বলে
কপালের টিপ হয় চাঁদ
রাত নিঝুম হলে জোনাকি আসে
আলো ঝলমলে ঘর
আলোতে গলেনা পাথর
আমার কি আর জায়গা হবে!

কিন্তু কেন নয়
আমার কি দেখবার চোখ নেই
শক্তি নেই অনুভবের
ইস!
থাকনা ওসব

সব কি আর গুজব
কতবার রাত দিনের মিলন হয়
নদীরা সাগরে মিশে
শুধু মিশবার আকুলতা চারদিকে
এত গান কেন লেখা হল, এত কবিতা
বল
তবু থাকবে এসব?
ওখানে আমার একটু জায়গা হবে না!


৪ মে, ২০১০

এলো মেলো


কাজী যুবাইর

এলো মেলো মেঘ
মাতাল হাওয়া
আজ মেঘের দেশে
ডুবে যাওয়া।

মেঘের কণা বালুচরে
কাশফুল তুলো হাওয়ায় ওড়ে
এক অজানা দেশ
খুঁজে পাওয়া।

মনের দুয়ার খুলে রেখে
ভালবাসা এঁকে এঁকে
এই মনের ভেতর
বৃষ্টি ছোঁয়া।

Hi! Is this your wanted Lyric/ song? You can compose it.


৩ মে, ২০১০

জবিতে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেমন ছিল।



দাবি ছিল বর্ধিত ফি যেন প্রত্যাহার করা হয়। একজন দুজনের দাবি। ধীরে ধীরে এ দাবি হয়ে যায় সবার দাবি। একটাই শ্লোগান 'মানি না' একটিই কণ্ঠস্বর। তার পর অনেক কণ্ঠ।
সময় বাড়তে থাকে। সকাল ১০ টা পেরিয়ে ১১ টা বেজে যায়। একটি দু'টি মিছিল। তারপর অনেক মিছিল। দুইটা, তিনটা। একদল ছাত্র সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। দাবি দাবি দাবি। প্রায় দ্বিগুন ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। প্রতিবাদ গরিবের পড়ার অধিকার নষ্টের বিরুদ্ধে। একটি স্মারক লিপি দিতে হবে ভিসি বরাবর।
হঠাৎ হঠাৎ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় আন্দোলন কারীরা। আরেকদল ছাত্রনেতা তাদেও থামাতে চেষ্টা করে, মারধর করে। থাপ্পর দেয়। ছাত্ররা দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দিতে পারে এই ফি বৃদ্ধির নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু কথিত ছাত্রনেতাদেও থাপ্পর আর হুমকি ধমকির বিরুদ্ধে কিছুই বলে না।
গত ৩ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন কিছুই ঘটে গেছে। ছাত্রলীগ নেতারা পুলিশ হয়ে সরকার ও ভার্সিটি কতর্ৃপক্ষের ভুল সিদ্ধান্তকে ভুল বলতে পারে নি। ছাত্রনেতা হলে ছাত্রদের সমস্যা দেখার সময় কি আর থাকে?

জিসান আল যুবাইর

ভেঙেছো আমারই প্রাণ

কাজী যুবাইর

তোমাকে কাছে ডেকে
তোমাকে বুকে এঁকে
কত আর স্রোত হব যে
নদীরা শুকিয়েছে
পানিরা হারিয়েছে
আগুনে মন পুড়েছে।

পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\

আমাকে ভালবেসে
এতটা কাছে এসে
বেদনা দিয়েছো যে হায়
মনেরই খোলা দোরে
জোনাকি শুধু ওড়ে
তুমি যে কাঁদালে আমায়।

পাখিরা হারিয়েছে গান
ভেঙেছো আমারই প্রাণ \\

সবাই নাট্যকার

কাজী যুবাইর

দুই দিনের দুনিয়াতে
সবাই নাট্যকার
নাটকের রঙিন খেলা
বুঝবে সাধ্য কার?

পরান - হারান অভিনেতা
মনে দুঃখ, আছে ব্যথা
আম্বিয়া অভিনেত্রী
রূপেরও বাহার \\

সুফিয়ান কাঠের মিস্ত্রী
রাঁধুনী তারই স্ত্রী
তবুও মনের মঞ্চে
একলা নাট্যকার \\

একটি গান

কাজী যুবাইর

চাঁদকে ডেকেছি এসো
মৃন্দালু হাসি তার
এদেশের বুকে নদীর ঢেউয়ে
চন্দ্রীমা একাকার।

শুধু আলো আলো খেলা
যেন হীরের আহা মেলা
গাছের পাতায় লতায় ঘাসে
লেগেছে মনিহার।

আমি হাঁটলে সেতো হাঁটে
শত মেঘের মায়া কাটে
রঙিন উঠোন জোছনা মাখা
নকশানু সমাচার।

১ মে, ২০১০

কম্পিউটার নিয়ে ছড়া

কম্পিউটার এলো তাতেই হল
বাচ্চা বুড়ো সবাই এবার মল
বাচ্চা বাচ্চা ভাবটা শুধু গেমে
বুড়োরাও যাচ্ছে অনেক ঘেমে।

এইটি ছাড়া চলাই নাকি দায়
সত্যি আমার পাল ছিঁড়েছে নায়
সত্যি আমার শাটের বুতোম খোলা
কার জন্য এ নিয়ম টিয়ম তোলা।

আমার কাছে গল্প একটি আছে
সেই গল্পে একটি মেয়ে নাচে
নেচে খেলে আবার বসে গেমে
আমিও নামি তুমিও পড় নেমে।

Enter your email address:

Delivered by FeedBurner